ওষুধ খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানি স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসির (স্কয়ার ফার্মা) গত সপ্তাহের চার কার্যদিবসে ৩২ কোটি ১২ লাখ ৮০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। সে হিসাবে কোম্পানিটির দৈনিক গড় লেনদেন হয়েছে ৮ কোটি ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা। আলোচ্য সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মোট লেনদেনে স্কয়ার ফার্মার অবদান ছিল ৭ দশমিক ১৯ শতাংশ। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৪-২৫ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) স্কয়ার ফার্মার কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ১ হাজার ৬৩৭ কোটি টাকা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ হাজার ৪৬৫ কোটি টাকা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ২১ টাকা ১৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৮ টাকা ২৪ পয়সা।
চলতি হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) স্কয়ার ফার্মার কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ৫৩৪ কোটি টাকা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪১৪ কোটি টাকা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৬ টাকা ৮৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরের যা ছিল ৫ টাকা ৫৫ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৫১ টাকা ৯৪ পয়সায়।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে স্কয়ার ফার্মা। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২৩ টাকা ৬১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২১ টাকা ৪১ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৪২ টাকা ৫ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে স্কয়ার ফার্মা। আলোচ্য হিসাব বছরে ইপিএস হয়েছে ২১ টাকা ৪১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২০ টাকা ৪৮ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১২৯ টাকা ৯৫ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরে স্কয়ার ফার্মা শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। ২০২০-২১ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৬০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি।
১৯৯৫ সালে পুঁজিবাজারে আসা স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের অনুমোদিত মূলধন ১ হাজার কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৮৮৬ কোটি ৪৫ লাখ ১০ হাজার টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ১১ হাজার ৫০১ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। কোম্পানির মোট শেয়ার সংখ্যা ৮৮ কোটি ৬৪ লাখ ৫১ হাজার ১০। এর মধ্যে ৪৩ দশমিক ৫৯ শতাংশ উদ্যোক্তা পরিচালক, ১৩ দশমিক ৭১ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী, ১৫ দশমিক ২৬ শতাংশ বিদেশী বিনিয়োগকারী ও বাকি ২৭ দশমিক ৪৪ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।